নিজস্ব প্রতিবেদক::
সুনামগঞ্জ নদীবন্দর নিয়ন্ত্রণাধীন তাহিরপুরের নৌপথে অতিরিক্ত টোল আদায় ও চাঁদাবাজির অভিযোগকে সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ঘাটের বৈধ ইজারাদার। ‘নৌকা মালিক সমিতি’ কর্তৃক উথাপিত এই অভিযোগকে একটি নির্দিষ্ট মহলের সুপরিকল্পিত অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন ইজারাদার প্রতিষ্ঠান ‘তাহিয়া স্টোন ক্রাশার’-এর স্বত্বাধিকারী মো. নাছির মিয়া।
২ জুলাই (বৃহস্পতিবার) এক জোরালো বিবৃতিতে তিনি স্পষ্ট করেন যে, সরকারের সমস্ত নিয়মনীতি ও উচ্চপর্যায়ের শর্ত মেনেই ঘাটে টোল আদায় করা হচ্ছে।
বিবৃতিতে মো. নাছির মিয়া বলেন, আমরা বিআইডব্লিউটিএ (BIWTA) এবং সরকারের উচ্চপর্যায়ের সমস্ত নিয়ম-কানুন ও শর্ত মেনে বৈধভাবে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য এই ঘাটের (বড়ছড়া ডাম্পের বাজার হতে মহিয়াজ়ুড়ী মৌজা হয়ে সুলেমানপুর পর্যন্ত) ইজারা পেয়েছি। ঘাটে যে টাকা আদায় করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ সরকারি চার্ট বা রেট অনুযায়ী নেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত টাকার বাইরে অতিরিক্ত একটি টাকাও নেওয়ার সুযোগ নেই এবং নেওয়াও হয় না।
নৌ-শ্রমিকদের ওপর শারীরিক নির্যাতন ও হেনস্তার অভিযোগকে সম্পূর্ণ মনগড়া ও ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে ইজারাদার পক্ষ থেকে বলা হয়, এটি মূলত প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার একটি অপচেষ্টা। প্রকৃতপক্ষে, কিছু অসাধু চক্র নিয়মিত সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করে আসছে। ইজারাদারের কর্মচারীরা যখন নিয়ম অনুযায়ী সরকারি টোল দাবি করে, তখনই সেই অসাধু চক্রটি জলঘোলা করতে এবং নিজেদের অপরাধ ঢাকতে এই ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ সামনে এনে প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
বিবৃতিতে ইজারাদার মো. নাছির মিয়া দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন যে, তারা নৌরুটে কোনো ধরনের নৈরাজ্য, বিশৃঙ্খলা বা অবৈধ কার্যক্রম সমর্থন করেন না। ঘাটের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আদায়ে তারা শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছেন।
কোনো স্বার্থান্বেষী মহল যেন বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে নৌপথের স্বাভাবিক বাণিজ্য, শান্তি ও স্থিতিশীল পরিবেশ বিনষ্ট করতে না পারে, সেজন্য তিনি জেলা প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ ও সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
