ছাতক-সুনামগঞ্জের অটোরিক্সা সিলেট শহরে প্রবেশে বাঁধা

ছাতক-সুনামগঞ্জের অটোরিক্সা সিলেট শহরে প্রবেশে বাঁধা

ছাতক প্রতিনিধিঃ
সিলেট শহরে প্রবেশ করতে পারছে না সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সিএনজি চালিত অটোরিক্সা। ৫দিন ধওে এই অঞ্চলের কোন অটোরিক্সাকে সিলেট শহরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। সুনামগঞ্জ জেলার অটোরিক্সা সিলেট জেলা শহরে প্রবেশ করতে পারবে না, এমন শর্তের কারনেই ছাতক-সিলেট ও সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কে অটোরিক্সা চলাচলে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এই জটিলতা বৃদ্ধির কারনে প্রতিদিন যাতায়াতকারী শত শত সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। পরিবহন শ্রমিক সংগঠন সুত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলা বাস মালিক সমিতির সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দুটি জেলায় নিয়ম ভঙ্গ করে অটোরিক্সা চলাচলের বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকসহ আশপাশ এলাকার ষ্ট্যান্ডগুলোর অটোরিক্সা সিলেট শহরে প্রবেশ না করার জন্য ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে পরিবহন শ্রমিকদের জানানো হয়। হাইওয়ে পুলিশ এবিষয়ে কয়েকটি শ্রমিক সংগঠনের সাথে বৈঠক করে জটিলতা নিরসনের চেষ্টা করেও কোন সুফল হয়নি। ফলে গত বৃহস্পতিবার থেকে সুনামগঞ্জ ও ছাতক অঞ্চলের সিলেটের রেজিষ্টেশনকৃত অটোরিক্সাগুলো সিলেট শহরে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না স্থানীয় পরিবহন শ্রমিকরা। এতে স্থানীয় অটোরিক্সাগুলো সিলেট শহরে প্রবেশ করতে না পারায় নি¤œ আয়ের সাধারণ যাত্রীরা চমর বিপাকে পড়েছেন। ছাতক অটোরিক্সা ড্রাইভার্স শ্রমিক ইউনিয়নের উপ-কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফজলু মিয়া বলেন, আমাদের সিলেটের রেজিষ্টাশনকৃত ছাতক ও গোবিন্দগঞ্জ এলাকার অন্তত শতাধিক বৈধ অটৈারিক্সা রয়েছে। কিন্তু সিলেট অঞ্চলের পরিবহন শ্রমিকরা বেআইনীভাবে অটোরিক্সা সিলেটে প্রবেশে বাঁধা প্রদান করছে। সিলেট জেলা অটোরিক্সা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাকারিয়া আহমদ বলেন, সিলেটের রেজিষ্টশনকৃত অটোরিক্সা গুলো এক জেলা থেকে অন্য জেলায় প্রবেশ বেআইনী। পরিবহন শ্রমিকরা এই অসন্তোষের কারনেই সিলেট শহরে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। জয়কলস হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক আমির উদ্দিন বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সড়কে এ বিশৃংখলার সমাধানে কয়েকটি অটোরিক্সা পরিবহণ শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করেও কোন সমাধান হয়নি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।