জগন্নাথপুরের রানীগঞ্জ ইউনিয়নে ১০জন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন


জগন্নাথপুর প্রতিনিধি::
সারাদেশে ইউনিয়ন নির্বাচনের তারিখ ধাপে ধাপে ঘোষনা করা হচ্ছে। তারিখ ঘোষনা করা নির্বাচনের এলাকার ন্যায় জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নে বইছে প্রচারণার হাওয়া সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রার্থীরা ভোটারদের ধারে ধারে গিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, ইউনিয়নের মধ্যে ১০জন প্রার্থী সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এদের মধ্যে ২ বারের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বাগময়না গ্রামের মজলুর হক, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা নোয়াগাঁও গ্রামের শাহ জামাল উল্লাহ মুক্তার, ইউকে প্রবাসী গন্ধর্ব্বপুর গ্রামের হাজী ছালিক মিয়া, বর্তমান চেয়ারম্যান কুবাজপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম রানা, ফ্রান্স প্রবাসী বাগয়মনা গ্রামের সিরাজুল ইসলাম আশিক, রানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন গন্ধর্ব্বপুর গ্রামের সম্পাদক ডা. ছদরুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সহ সভাপতি বাগময়না গ্রামের সালেহ আহমদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক গন্ধর্ব্বপুর গ্রামের এম মোতাহীর আলী, সমাজ সেবক নোয়াগাঁও আমান উদ্দিন আহমদ,উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি রৌয়াইল গ্রামের মনজুরুল ইসলাম। তাদের মধ্যে ৬জন প্রার্থী বর্তমান সরকারের প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করতে চান। তারা হলেন বর্তমান চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম রানা, শাহ জামাল উল্লাহ মুক্তার, ডা. শেখ ছদরুল ইসলাম, সালেহ আহমদ, এম মোতাহীর আলী, মনজুরুল ইসলাম। আওয়ামী লীগ পরিবারের নেতারা মনে করছেন ক্ষমতাসীন দল হিসেবে দলীয় প্রতীক নৌকা পেলে নির্বাচনে জয়ী হওয়া অনেকটাই সহজ হবে। তাই ৬জন প্রার্থী দলীয় প্রতীক নৌকা পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। যেকোনো মূল্যে দলীয় প্রতীক নৌকা পেতে অনেকে জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথেও যোগাযোগ রক্ষা করতেছেন। সরকার দলীয় সম্ভব্য প্রার্থীরা জানান, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারা দেশের উন্নয়নের মহাজাগরনের ধারাবাহিকতায় সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার প্রতিটি উন্নয়ন সাথে তাল মিলিয়ে ইউনিয়নের কার্যক্রমকে গতিশীল রাখার লক্ষ্যে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছেন। নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলে দীর্ঘদিনের অবহেলিত রানীগঞ্জ ইউনিয়নকে একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরিত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা। স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচন করা প্রার্থীরা জানান, ইউনিয়নের সেবার জন্য তারা কাজ করতে চান । ইউনিয়নের ছেলে হিসেবে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। ইউনিয়নবাসীর অকৃতিম স্নেহ ভালবাসায় ইউনিয়নবাসীর কল্যানে নিজেদেরকে জড়িয়ে রাখতে চায় তারা। এ জন্য তিনি ইউনিয়নের সর্বস্থরের নাগরিকবৃন্দের দোয়া ও সার্বিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।