আনোয়ারপুর সেতুর নিচ দিয়ে নৌযান চলাচল বন্ধ হলে বেকার হয়ে পড়বে হাজার হাজার বারকি শ্রমিক


স্টাফ রিপোর্টার :
তাহিরপুরের আনোয়ারপুর সেতুর নিচ দিয়ে নৌযান চলাচল বন্ধ করলে আবারও বেকার হয়ে পড়বে এলাকার হাজার হাজার বারকি শ্রমিক। বিগত ১৫ বছর যাবৎ আনোয়ারপুর সেতুর নিচ দিয়ে কোন ক্ষতি সাধন ছাড়াই শতশত বাল্ক হেড নৌকা চলাচল করছে। সম্প্রতি ইজারা বঞ্চিত একচি কুচক্রী মহল শ্রমিকদের আয়রোজগার বন্ধ করতে সরকারের বিভিন্ন দফতরে মিথ্যে অমুলক অভিযোগ দায়ের করছে। এসব ভিত্তিহীন অভিযোগের কারণে এলাকার শ্রমিকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠছেন। স্থানীয়দের দাবি, করোনার কারণে দীর্ঘদিন বালু মহাল বন্ধ থাকায় আমাদের মানবেতর জীবন যাপন করতে হয়েছে। সম্প্রতি মহালটি ইজারা হওয়ায় নদীতে বালি উত্তোলণ করে পরিবার পরিজন নিয়ে কোন রকমে জীবন যাপন করছি। মিয়ারচর গ্রামের বারকি শ্রমিক গনি মিয়া জানান, আমি দীর্ঘদিন যাবত বালি উত্তোলন করে আয়-রোজগার করছি। কোন দিন শুনি নাই বাল্ক হেড নৌকা ডুকলে সেতুর ক্ষতি হবে। এবছর ই শুনলাম বালু মহালের সাবেক ইজারাদার নাকি সেতু ক্ষতি হবে বলে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এটি উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তিনি যখন ইজারাদার ছিলেন তখনো সেতুর নিচ দিয়ে বড় বড় নৌকা ডুকেছে তখন তিনি তো অভিযোগ করেননি। মিয়ার চর গ্রামের ব্যবসায়ী রফিক হাজী বলেন, মহালটি ইজারা হওয়ার পর থেকে একটি কুচক্রী মহল তৎপর হয়ে ওঠেছে। তারা ইজারা না পাওয়ায় একের পর এক অভিযোগ দায়ের করছেন। এ রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ হলে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়বে। ঘাগটিয়া গ্রামের রহিম উদ্দিন বলেন, সেতুর নিচ দিয়ে নৌযান চলাচল না করলে মহালের হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বেন। অভাব অনটনের কারণে তারা মানুষ দিশেহারা হয়ে যাবে। জামবাক গ্রামের হাকিকুল বলেন, দুর্লভপুর নিয়ামতপুর ও ফতেহপুর সেতুর নিচ দিয়ে প্রতিদিন শতশত নৌযান চলাচল করলেও কোন সমস্যা হয়নি। জেলা প্রশাসক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন বিষয়টি আমি দেখতেছি। ছোট নৌযান চলাচলে কোন বাধা নিষেধ নেই।