প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
গত ০৫ জুলাই ২০২১ ইং তারিখের দৈনিক সুনামগঞ্জের খবর পত্রিকার প্রথম পাতায় ৫ ও ৬ নং কলামে ’বাল্কহেড চলাচলে ঝুকিতে সেতু’ ও দৈনিক সিলেটের ডাক পত্রিকার প্রথম পাতায় ১,২ও ৩ নং কলামে ”হুমকির মুখে আনোয়ারপুর সেতু শিরোনামে প্রকাশিত” সংবাদ আমার দৃষ্ঠিগোচর হয়েছে। প্রকৃত বিষয় হলো, ২০১১ সালে আনোয়ার সেতু উদ্বোধন করেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য। উদ্বোধনের পর থেকে যতবারই যাদুকাটা বালুমহাল যারা ইজারা নিয়েছেন তারাই কোন বাঁধা ছাড়াই সেতুর নিচ দিয়ে যাতায়াত করছেন। সম্প্রতি সরকারী বিধি মোতাবেক খাজনা জমা দিয়ে যাদুকাটা-১ ও যাদুকাটা-২ মহালের ইজারা বন্দ্যেবস্ত দেয়া হইয়াছে। কিন্তু একটি অসাধু চক্র অন্যায় সুবিধা লাভের আশায় বিভিন্নভাবে মহালটির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইজারা বঞ্চিত বালিজুজুরী গ্রামের বাসিন্ধা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের তাহিরপুর উপজেলা সভাপতি ও নাশকতা মামলার আসামী ফেরদৌস আলম প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ অব্যাহত রেখেছেন এবং অপপ্রচার করছেন। বড় নৌকা আনোয়ারপুর সেতু দিয়ে প্রবেশ করলে হুমকির মুখে পড়বে সেতু। বালিজুরী গ্রামের বাসিন্ধা ফেরদৌস আলম যখন ইজারাপ্রাপ্ত ছিলেন তখন তিনি প্রতিবাদ কেন করেননি। এতেই প্রমানিত হয় অভিযোগটি উদ্দেশ্য প্রনোদিত। এছাড়া আনোয়ারপুর সেতুর নিচ দিয়ে বাল্বহেড প্রবেশ করলে সেতুর সাথে কোন ধাক্কা লাগেনা,ক্ষতিরও কোন সম্ভাবনা নেই। বছরের পর বছর সেতুর নিচ দিয়ে নৌযান চলাচল করছে। একটি চক্র সেতুর দক্ষিণ পাশে সিন্ডিকেট করে ব্যবসা ও চাঁদাবাজী করার লক্ষেই সেতুর দোহাই দিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। বালতি ও বেলছার মাধ্যমে বালু উত্তোলনের কাজ করা লক্ষাধিক শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বে। এবং দুই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে দ্বন্দ্ব, সংঘাত ও আইনশৃঙ্খলা অবনতির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে সরকার বিরোধী একটি চক্র ঐ অঞ্চলে অস্তিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্ঠি করার লক্ষে এসব ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। আনোয়ারপুর সেতু নিয়ে অভিযোগ উদ্যেশ্যপ্রনোতি, মিথ্যা ও বানোয়াট।

আব্দুস সাহিদ
সভাপতি
যাদুকাটা বালু ব্যবসায়ী ও শ্রমিক সমিতি।