ধর্মপাশায় প্রধান শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতায় বাবুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই বছর ধরে হচ্ছেনা কমিটি

স্টাফ রিপোর্টার::

ধর্মপাশায় প্রধান শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে প্রায় দুই বছর ধরে ঝুলে আছে বাবুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের কাজ। কমিটি ছাড়া বিদ্যালয় পরিচালনা করায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। এবং কমিটি গঠনকে ঘিরে তিনি গ্রামে দলে উপদলে বিভক্তির জন্ম দিয়েছেন। বিদ্যালয়ের স্বার্থে দ্রুত কমিটি গঠন করে এলাকার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সচেতন মহল দাবি জানাচ্ছেন। জানা যায়, বাবুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০/১২ বছর ধরে প্রধান শিক্ষক হিসেবে সজিত রঞ্জন তালুকদার দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি বরাবরই কমিটি গঠনের সময় এলে কোন্দলে জড়িয়ে পড়েন। এবং গ্রামে বিশৃংখলা দেখা দেয়। পাঠদান ব্যহত হয়। ২০২০ সালে এসেও কমিটি গঠনে তিনি একমাত্র বাধা হয়ে দাঁড়ান। তার মনমত সভাপতি না হলে বেঁকে বসেন। জানা গেছে, বিদ্যালয়ের কমিটির মনোনীত সদস্যদের ব্যাপারে দ্বিমত পোষন না করলেও সভাপতি পদে বাঁধ সাধে প্রধান শিক্ষকের। স্থানীয়রা কমিটি অনুমোদন করতে প্রধান শিক্ষককে বললেও তিনি পাশ কাটিয়ে চলছেন। কমিটি বাতিল করে দেন। এভাবেই চলছে কমিটি বিহীন বিদ্যালয়ের কাজ। এতে করে দ্বন্ধ আরও প্রকট আকার ধারণ করছে। বাবুপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সজিত রঞ্জন তালুকদার বলেন, কমিটি গঠন নিয়ে আমি কোন গড়িমসি করছি না। আমি কোন স্বেচ্ছাচারিতা করিনি।আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ সঠিক নয়। এমপি যাকে বিদ্যুৎসাহী নাম দিয়েছেন তার কোন সন্তান স্কুলে পড়েনি। সেটি গ্রহনযোগ্য নয়। দাতা সদস্য উপজেলা চেয়ারম্যান দিয়েছেন তারেক নামের একজনকে। অপরদিকে এমপি মৌখিকভাবে বলেছেন ঈমান হোসেনকে। এরপর এমপি মহোদয় দায়িত্ব দিয়েছেন সুখাইর রাজপুর উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান ফরহাদকে কমিটি গঠন করার জন্য। ধর্মপাশা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মানবেন্দ্র দাস বলেন, এটিও ভাল জানে। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।