আদালতে ঝুমন দাসের মায়ের মামলা,আসামী ২ হাজার ৭২ জন


স্টাফ রিপোর্টার::
শাল্লার নোয়াগাওয়ে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় আমল গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট শাল্লা জোন আদালতে ৭২ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও ২ হাজার জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন হেফাজত নেতা মামুনুল হককে নিয়ে ফেইসবুকে পোষ্টদাতা কারাগারে আটক ঝুমন দাস আপনের মা নিভা রানী দাস। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝুমন দাস আপনের মা বাদি হয়ে আমল গ্রহনকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শ্যামকান্ত সিংহার আদালত শাল্লা জোনে এ মামলাটি দায়ের করেন তিনি । আদালত মামলাটি ডিবি পুলিশের কাছে তদন্তের জন্য হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতে দাখিলকৃত মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১৬ মার্চ নিভা রাণী দাসের ছেলে ঝুমন দাস আপনের ফেইসবুকে হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতা মামুনুল হককে নিয়ে স্ট্যাটাসের জেরে দিরাই ও শাল্লার কয়েকটি গ্রামের মানুষ দাড়াইন বাজারে বিক্ষোভ করে। এ ঘটনায় গ্রামবাসী ঝুমনকে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরদিন গ্রামগুলোর হাজারো মানুষ সংঘবদ্ধ হয়ে নোয়াগাঁও গ্রামে এসে হামলা লুটপাট করে। ওইদিন তারা গ্রামের ৮৫টি ঘরে লুটপাট ও ভাংচুর চালায়। এসময় ঝুমনের মা বাধা দিলে ঝুমনের স্ত্রীকে মারধরসহ তার শ্লীলতাহানীরও চেষ্টা করে হামলাকারীরা। মামলায় তিনি নাচনি, চন্ডিপুর, ধনপুর ও কাশিপুরসহ কয়েকটি গ্রামের ৭২জনের নাম উল্লেখ করে অন্তুত ২হাজার অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। মামলার বাদী নিভারাণী দাস বলেন, গত ২৫ মার্চ এই মামলাটি আমি শাল্লা থানায় দায়ের করেছিলাম। কিন্তু পুলিশ মামলাটি না নেওয়ায় আদালতে দাখিল করেছি। আমি এ ঘটনায় জড়িতদের বিচার চাই। একই সঙ্গে আমার ছেলেরও মুক্তি চাই। মামলার আইনজীবী সুনামগঞ্জ জজকোর্টের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর(এপিপি) এডভোকেট দেবাংশ শেখর দাস বলেন, শাল্লা থানা পুলিশ মামলাটি না নেওয়ায় আমরা মামলাটি আদালতে দাখিল করেছি। আদালত বাদীর জবানবন্ধী নিয়ে মামলাটি ডিবির ওসিকে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, এপিপি এড. আজাদুল ইসলাম রতন ও এড. নুর আলম প্রমুখ।