রাস্তাঘাটের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে সুরমা ইউনিয়নবাসী


দোয়ারাবাজার প্রতিনিধিঃ
দোয়ারাবাজার উপজেলার ৯নং সুরমা ইউনিয়নের রাস্তাঘাটের অবস্থা বেহাল। খানাখন্দে ভরা এই রাস্তাঘাট এখন যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। বর্ষা মৌসুমে একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তা ঘাটের অবস্থা আরো শোচনীয় হয়ে পড়ে। এছাড়াও রাস্তা ঘাটের অধিকাংশ ছোট বড় খানাখন্দ বৃষ্টির পানিতে ডুবে থাকার কারণে ঘটছে দুর্ঘটনা, সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। আর এতে করে ইউনিয়নবাসীর ভোগান্তি দিন দিন চরম আকার ধারণ করছে। সরেজমিনে দোয়ারাবাজার সদর থেকে শরীফপুর,ভুজনা, টেংরাবাজার, মহব্বতপুর বাজার, রাবারড্যা¤প, টিলাগাও,আলীপুর, নুরপুর, সোনাপুর, ইসলামপুর, বরকতনগর, বৈঠাখাই এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, ওই সব এলাকার রাস্তাঘাটে ছোট ছোট খানাখন্দগুলো এখন বড় বড় আকার ধারণ করে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই কোন না কোন স্থানে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার মামুনুর রশিদের এমন উদাসীনতায় নাগরিকদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা সমালোচনা দীর্ঘদিন ধরে সুরমা ইউনিয়নের রাস্তাগুলো বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকলেও সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ফলে চলতি বর্ষায় ইউনিয়নের সকল রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে করে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে এলাকাবাসী। পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন না হওয়ায় পাহাড়ী ঢলে তলিয়ে যায় ইউনিয়নের অধিকাংশ সড়ক। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সমালোচনা সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ফেসবুকে ও উঠছে সমালোচনার ঝড়। শেয়ার করা হচ্ছে বিভিন্ন স্থানের দুর্ভোগের চিত্র। রাস্তাগুলো দীর্ঘদিন ধরে কোন সংস্কার না করায় রাস্তার দু’পাশ ভেঙ্গে রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে গেছে,বর্ষার কারণে রাস্তার মাঝখান গুলোতে তৈরী হয়েছে বড়বড় গর্ত। গর্তের কারণে ছোট-ছোট সিএনজি,অটোবাইক,মটর সাইকেলে করে চলাচলরত সাধারণ মানুষ প্রায়ই দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। ভোগান্তির শেষ হচ্ছেনা গ্রামীণ রাস্তায় চলাচলরত মানুষগুলোর। এ ব্যাপারে আজবপুর এলাকার বাসিন্দা সমাজসেবক কলিম উদ্দিন বলেন, রাস্তা নিয়ে কি আর বলবো? সমস্যার শেষ নেই। ইউনিয়নের অধিকাংশ রাস্তাঘাটই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা রাস্তা দিয়ে আসা যাওয়ার পথে অনেকেই বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছে। এছাড়াও প্রতিনিয়ত চলাচলকারী সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা সবারই জানা। তাই তিনি ইউনিয়নবাসী দুর্ভোগের কথা মাথায় রেখে ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও এমপি মহোদয় যত দ্রুত সম্ভব রাস্তাগুলো মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া উচিত বলে মনে করেন। এ ব্যাপারে সুরমা ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার মামুনুর রশিদ জানান, সুরমা ইউনিয়নের রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই খারাপ, সুরমা ইউনিয়নের সকল রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে করে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে এলাকাবাসী। এ বিষয়ে উপজেলা সমন্বয় সভায় বার বার বলার পরেও আমাদের এমপি মহোদয়ের অসহযোগিতার কারণে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছেনা।