সংবাদ সম্মেলন কয়লা ও চুনাপাথর আমদানি বন্ধ করার যড়যন্ত্র করছে একটি মহল


স্টাফ রিপোর্টার :
তাহিরপুরের শুল্কষ্টেশন দিয়ে কয়লা ও চুনাপাথর আমদানী হচ্ছে। সম্ভাবনাময় এ অঞ্চলে ব্যবসায়ীরা অগ্রীম কর দিয়ে কয়লা ও চুনাপাথর আমদানি করছেন। সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব পাচ্ছে এসব শুল্ক স্টেশন থেকে। এ যাবত পর্যন্ত কোন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগ নেই। বরং শ্রেষ্ট করদাতা হিসেবে অনেকেই পুরুস্কৃত হচ্ছেন। কিন্তু একটি মহল সম্ভাবনাময়ী এলাকায় ব্যবসা বন্ধ করে শ্রমজীবী মানুষের জিবিকা নির্বাহে আঘাত করার চেষ্টা করছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে একটি সুনামগঞ্জ শহরের পুরাতন বাসস্টেন্ড এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টের কনফারেন্স হলে জাতীয় একটি পত্রিকায় শুল্ক ফাঁকিতে কয়লা ও চুনাপাথর আমদানি শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন, তাহিরপুর কয়লা আমদানী কারক গ্রুপের সভাপতি আলকাছ উদ্দিন খন্দকার। লিখিত বক্তব্যে ব্যবসায়ী সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন বলেন, তাহিরপুরের বড়ছড়া, চারাগাঁও ও বাগলী এ ৩টি স্থল শুল্ক ষ্টেশন দিয়ে দীর্ঘদিন থেকেই কয়লা ও চুনাপাথর আমদানি হয়ে আসছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট কাষ্টমস কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে নির্ধারিত অগ্রিম রাজস্ব পরিশোধ করে আমদানীকারকগণ কয়লা ও চুনাপাথর আমদানি করেন। কয়লা ও চুনাপাথর পরিমাপের জন্য স্থলবন্দরে পরিমাপক কোন যন্ত্র নেই। যন্ত্র না থাকায় ফিতার মাধ্যমে কয়লা ও চুনাপাথরের বোঝাইকৃত ট্রাকের দৈঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা নির্ণয় করে মে: টন হিসাব করে শুল্ক ও করাদি পরিশোধ করে থাকেন আমদানিকারকগণ। আমদানিকৃত কয়লা ও চুনাপাথর মাটির নিচ থেকে উত্তোলন করার ফলে মাটি বালি ও পানির মিশ্রণ থাকাটাই স্বাভাবিক। তাই উভয় দেশের কাষ্টমস কর্তৃপক্ষ, আমাদানিকারক ও রপ্তানীকারক নেতৃবৃন্দ বসে মাটি, বালি ও পানির মিশ্রণের পরিমাণ বাদ দিয়ে কয়লা ও চুনাপাথরের হিসাব নির্ধারন করেন। বক্তারা আরও বলেন, করোনা মহামারির কারণে কয়লা ও চুনাপাথর আমদানি বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ী সকল কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় সরকার অর্থনৈতিক চাকাকে সচল রাখতে কয়লা ও চুনাপাথর আমদানির পথ খুলে দেন। হাজার হাজার শ্রমিকের স্বার্থে অপপ্রচার বন্ধে গণমাধ্যম, প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সহযোগীতা কামনা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন এসময় উপস্থিত ছিলেন তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করুণা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব শামছুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন খন্দকার লিটন, কয়লা আমদানীকারক সমিতির উপদেষ্টা ও তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ স¤পাদক অমল কান্তি কর, ব্যবসায়ী মুজিবুর রহমান, মতিশ পাল, পিন্টু চক্রবর্তী, চেয়ারম্যান খসরুল আলম, চেয়ারম্যান বুরহান উদ্দিন, আবুল খয়েরসহ তাহিরপুর কয়লা আমদানী কারক গ্রুপের শতাধিক সদস্য।