কোটা সংরক্ষণের দাবীতে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এর কালোব্যাজ ধারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক::
কালো ব্যাজ ধারনের মধ্যে দিয়ে চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুর্নবহালের দাবি জানিয়েছে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সুনামগঞ্জ জেলা শাখা। বুধবার দুপুরে শহরের আলফাত উদ্দিন স্কয়ার ট্রাফিক পয়েন্টে এ উপলক্ষে একটি মানববন্ধন শুরু হয়। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহর প্রদক্ষিণ করেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা। এতে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী জালাল উদ্দিন জাহান। আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি সাংবাদিক বাউল আল-হেলাল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক ছাদিয়া বখত সুরভী, প্রচার সম্পাদক নেছার আহমদ শফিক, সদর উপজেলা শাখার সভাপতি কাজী জসিম কামাল,সাধারন সম্পাদক মোস্তাক আহমদ রোমেল,পৌর কমিটির সহ-সভাপতি আলেক রাজা,সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজ শাখার প্রতিনিধি রুপক রাজ বৈদ্য, মালারানী সরকার,জহীর আহমদ সোহেল,আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সমবায় সমিতির সভাপতি নুরুল আমিন,সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম,কিতাব আলী,কাজী সিরাজ, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক,সুরমা ইউপি নেতা আব্দুল মালেক,গৌরারং ইউপি কমিটির মইন উদ্দিন,নবাব সাদেক,রিয়াজ উদ্দিন,অপেন দাস ও গোলাম মোস্তফাসহ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানবৃন্দ। মানববন্ধনে বিশিষ্ট গীতিকার সাংবাদিক শিল্পী আল-হেলালের রচিত ও পরিবেশশিত “কোটা প্রথা বাতিল করলো,পিছে লাগলো কত শয়তান/ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান,আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান” ও“মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আমরা/ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আমরা,মুক্তি-যোদ্ধার সন্তান/ গাই সর্বদা বঙ্গবন্ধুর গান”২টি দেশাত্ববোধক গান সমবেত সকলকে বিশেষভাবে উজ্জীবিত করে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তারা বলেন, একদফা এক দাবি আমাদের। চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুর্নবহাল রাখতে হবে। সেজন্য পরিপত্র স্থগিত করে মন্ত্রিসভায় তা প্রত্যাহার করতে হবে। তাই এখন থেকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। সমাবেশে বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী আপনার বাবার ডাকে মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজী রেখে এ দেশের জন্য যুদ্ধে নেমেছিল। তাদের জন্য আমরা একটা স্বাধীন দেশ পেয়েছি। মুক্তিযোদ্ধারা রাষ্ট্রের শ্রেষ্ঠ সন্তান। আর তাদের সন্তানরা চাকরিতে কোটা পাবে না, তাদের কোটা বাতিল হয়ে যাবে এটা মেনে নেয়া যায় না। তাই প্রধানমন্ত্রী আপনি যদি মুক্তিযোদ্ধাদের সুযোগ-সুবিধা, দুঃখ-কষ্ট না বুঝেন তাহলে আর কে বুঝবেন? তারা বলেন, আমাদের দাবি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুর্নবহাল রাখতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো।