রিপোর্টার্স ইউনিটির ৩য় প্রতিষ্টা বার্ষিকী শেখ মুজিব দিলেন স্বাধীনতা আর শেখ হাসিনা দিচ্ছেন উন্নয়ন: পরিকল্পনামন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্টার::
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, আওয়ামীলীগ সরকার এদেশের গণমানুষের উন্নয়নের সরকার। তার মাঝে বাহাদুরী নেই, পান্ডিত্য নেই। তিনি সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করেন। রুটি মাখন খেয়ে পান্তা ভাত খাওয়ার কথা ভুলেন নাই। ফু দিয়ে চুলায় আগুন ধরিয়ে ভাত খাবার গল্প এখনও বলেন। সংগ্রামী জীবনের অধিকারী প্রধানমন্ত্রী দেশের উন্নয়নে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। শেখ মুজিব এদেশের মানুষকে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়ন করে যাচ্ছেন। মন্ত্রী বলেন, সারা দেশের সঙ্গে যোগাযোগ নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে সুনামগঞ্জ জেলা। আমরা সুনামগঞ্জের সাথে নেত্রকোণা হয়ে সড়ক পথে যাওয়ার জন্য উড়াল সেতু নির্মাণ করা হবে। শিগগিরই দিরাই-শাল্লা-আজমিরিগঞ্জ মহাসড়কের কাজ শুরু হবে। কুশিয়ারা নদীতে নির্মিত সেতুর কাজও শেষ হবে। মধ্যনগর উপজেলার বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে। তিনি আরও বলেন প্রধানমন্ত্রী হাওড়ের মানুষের প্রতি আন্তরিক। আমি প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে হাওরের অসহায় মানুষের কথা তুলে ধরি। আমি নিজ চোখে দেখেছি চৈত্র মাসের নিদানে কিভাবে মানুষ অনাহারে থাকে। এবং এক কলস পানির জন্য মাইলের পর মাইল হেঁটেছে। অনেকে নদীর পানি পান করে কলেরায় আক্রান্ত হত। আমি এসব থেকে উত্তরণের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর হাসনরাজা মিলনায়তনে রিপোর্টার্স ইউনিটির ৩য় প্রতিষ্টা বার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি লতিফুর রহমান রাজুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এমরানুল হক চৌধুরী, সময় টিভির প্রতিনিধি হিমাদ্রি শেখর ভদ্র ও ডিবিসি টিভির প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম এর যৌথ সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, যুগান্তর পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মাহবুবুর রহমান পীর। বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন ছাতক দোয়ারার এমপি মহিবুর রহমান মানিক, দিরাই শাল্লার এমপি ড. জয়া সেন গুপ্তা, সুনামগঞ্জ ১ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সদর আসনের এমপি এড. পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ, সুনামগঞ্জ-সিলেট সংরক্ষিত আসনের এমপি এড. শামিমা শাহরিয়ার, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মতিউর রহমান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট, জেলা প্রশাসক আব্দুল আহাদ, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান খায়রুল হুদা চপল, পৌর মেয়র নাদের বখত। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন উপজেলার প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।