মরমী সাধক নোয়াব আলী পাগলা শাহ’র বাউল রজনী সম্পন্ন


স্টাফ রিপোর্টার::
পঞ্চরতœ বাউলের গান পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে মরমী সাধক নোয়াব আলী পাগলা শাহ এর ১৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাউল রজনী সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে শহরের হাছননগর গুজাউড়া গ্রামে প্রয়াত ফকির সাধক পাগলা শাহ এর বাড়ীতে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও রাতব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক খবরপত্র পত্রিকার সম্পাদক ও দেশে নারী সাংবাদিকতার অন্যতম পথিকৃত মাফরোজা সুলতানা। অন্যান্যর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এর কর্মকর্তা সাবরিনা,বাউল কামাল পাশা সংস্কৃতি সংসদ এর প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক সাংবাদিক বাউল আল-হেলাল,সাংস্কৃতিক সংগঠক আশরাফ হোসেন লিটন, গীতিকার নির্মল কর জনি,সাংস্কৃতিক সংগঠক মোঃ জসীম উদ্দিন ও আয়োজক চিত্রগ্রাহক হাবিবুল বাশার বশীরসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন। পরে রাতব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পঞ্চরতœ বাউল যথাক্রমে বৈষ্ণব কবি রাধারমন দত্ত,মরমী কবি হাছন রাজা,গানের স¤্রাট বাউল কামাল পাশা (কামাল উদ্দিন),বাউল স¤্রাট শাহ আব্দুল করিম ও জ্ঞানের সাগর দূর্বিণ শাহ এর রচিত বিভিন্ন তাত্তি¡ক বাউল গান পরিবেশন করেন প্রবীণ বাউল শিল্পী ও প্রখ্যাত সাধক কবি দূর্বিণ শাহের শিষ্য বাউল তছকীর আলী, গীতিকার সাংবাদিক বাউল আল-হেলাল,বাউল ইয়াসমিন বেগম, শিল্পী ফয়সল আহমেদ, সাদিক মিয়াসহ স্থানীয় শিল্পীবৃন্দ। আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা জীবনের শেষ সায়াহ্নে এসে প্রবীণ বাউল শিল্পী হাছননগর গ্রামের কৃতিসন্তান বাউল তছকীর আলীকে বাংলাদেশ টেলিভিশন এর গীতিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তাঁরা অসুস্থ বাউল শিল্পী তছকীর আলীর সুচিকিৎসায় এগিয়ে আসার জন্য সরকার, জেলা প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদের প্রতি আহবান জানান। উল্লেখ্য মরমী সাধক নোয়াব আলী পাগলা শাহ ২০০৩ সালের এপ্রিল মাসে ইন্তেকাল করেন। প্রতিবছর তাঁর স্মরণে ওরস মাহফিল এর আয়োজন করেন তার পুত্র টেলিভিশন এর চিত্রগ্রাহক হাবিবুল বাশার বশীরসহ এলাকার তরুণ সংস্কৃতি কর্মীরা।